সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বন্ধুত্ব নিয়ে কিছু কথা

  বন্ধুত্ব এমন একটা শব্দ যার অর্থ আজও বুঝে উঠা হলো না। হন্যে হয়ে খুঁজে ফিরি। কবিতা-গান। উক্তি। কথোপকথন। গল্প-উপন্যাস-নাটক-সিনেমা। আরো কতো কীসে চলে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা। মাঝে মাঝে আনন্দে লাফিয়ে ওঠি, এই তো বুঝেছি! পরক্ষণেই হোঁচট খাই। 'নাহ্ ইহা যথার্থ নয়' বলতে হয়। ধর্মগ্রন্থেও চোখ রাখি; এতো নিয়ম-কানুন! মন মানে না। ধরা-বাঁধা কোন নিয়মের গন্ডিতে বন্ধুত্বকে বেঁধে ফেলতে সে রাজি নয়। সে চায় সর্বদা সর্বস্তরে বন্ধুত্বের অবাধ বিচরণ। মুক্ত বিহঙ্গের মতো। 'বীক্ষ্যমান' বিশেষণে বিশেষণীয় হয় না বন্ধুত্ব। বন্ধুত্বকে শুধু একটি কথায় বা শুধু একটি গানে কিংবা শুধু একটি কবিতায় সংজ্ঞায়িত করা যায়নি; এক কথোপকথনেই সীমাবদ্ধ করা যায়নি তার সীমানা। বন্ধুত্বের গভীরতা প্রকাশ সম্ভব হয়নি একটি মাত্র গল্পে অথবা উপন্যাসে। একখানা নাটক অথবা একখানা সিনেমা বানিয়েই বন্ধুত্বের মডেল বা আইকন স্থাপন করা যায় নি। বন্ধুত্ব নিয়ে লেখা হয়েছে কতো না কবিতা-গল্প-উপন্যাস! বন্ধু বন্ধুকে গেয়ে শুনিয়েছে কতো না গান! কতো না কথোপকথন! কথা চলছে অবিরাম বন্ধুকে নিয়ে। ছোট-বড়ো পর্দায় ভেসে উঠছে কতো না নাটক-সিনেমা! চলছে... চলবেই। যাকে বন্ধু বল...
  করোনা  সংক্রমণ ঠেকানোর উপায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ব্যক্তিগত সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: ■ ড্রপলেট ইনফেকশন অর্থাৎ হাঁচি-কাশির মাধ্যমে রোগটি ছড়ায়। আক্রান্ত, সন্দেহজনক আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে না আসাই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো প্রতিরোধ। নিজেকে নিরাপদ রাখতে সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত যেকোনো ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন। ■ আক্রান্ত ব্যক্তি ও পরিচর্যাকারীর মুখে বিশেষ মাস্ক পরতে হবে। কখনোই নাক-মুখ না ঢেকে হাঁচি-কাশি দেবেন না। ব্যবহৃত টিস্যু বা রুমাল যথাযথ জায়গায় ফেলতে হবে। ■ বারবার সাবান-পানি বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। যেসব বস্তুতে অনেক মানুষের স্পর্শ লাগে, যেমন সিঁড়ির রেলিং, দরজার নব, পানির কল, কম্পিউটারের মাউস বা ফোন, গাড়ির বা রিকশার হাতল ইত্যাদি ধরলে সঙ্গে সঙ্গে হাত পরিষ্কার করতে হবে। ■ মাছ-মাংস ভালো করে সেদ্ধ করে নিতে হবে। লেখক : রাসেল উল্লাহ, আল আমিন, এবং আলামীন চৌধুরী  বুশরা ম্যাটস সাতক্ষীরা

করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত সচেতনতা

দেশে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ২৬ হাজার ছাড়াল। করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৮৯ জন। এতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৬ হাজার ১৫ জনে।
  হৃদরোগের ঝুঁকি:  নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা হৃদরোগ এবং স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি থেকে সচেতন থাকতে সহয়তা করে। যদি রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরল থাকে তবে ডায়েট পরিবর্তন, নিয়মিত ব্যায়াম ও চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেতে হবে।
  হাড়ের শক্তি হ্রাস:  বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের বিভিন্ন হাড়ে ঘনত্ব এবং শক্তি হ্রাস পায়। হাড়গুলো আরো দুর্বল এবং কখনো কখনো ভেঙে যায়, যা আঘাত বা ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি বাড়ায়। অস্টিওপোরোসিস পুরুষদের তুলনায় নারীদেও মধ্যে বেশি দেখা যায়। কখনো হাটুতে বা কোমরে ব্যথা অনুভব করলে, দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।
  ডায়াবেটিস:  খাওয়াদাওয়ার অভ্যাসে পরিবর্তন না আনলে, চল্লিশের পর ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তেল-চর্বি-অতিরিক্তি চিনি-লবণযুক্ত ভুল খাবার খাওয়া এবং ওজন বাড়ানো অগ্ন্যাশয়ের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এটি সহজেই রক্তে শকর্রার মাত্রা বাড়িয়ে তুলতে পারে। রক্তের শকর্রার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে এমন খাবার বেছে নিতে হবে চল্লিশের পর।
  স্তন ক্যান্সার:  সব বয়সের নারীদের নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। স্তন ও জরায়ুর ক্যান্সার হলো দুটি সাধারণ ক্যান্সার যা সকল বয়সের নারীদেরকে প্রভাবিত করে এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকির মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। স্তন পরীক্ষা প্রাথমিক পর্যায়ের কোনো ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করবে। সুরক্ষার জন্য বছরে একবার পরীক্ষা করানোর উপদেশ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
  উচ্চ রক্তচাপ:  মধ্যবয়সী নারীদের মাঝে মাঝেই রক্তচাপের মাত্রা বৃদ্ধির মুখোমুখি হতে হয়, যদি অবহেলা করে চিকিৎসা না করা হয় তবে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঠিকঠাক ডায়েট ও লাইফস্টাইলের কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমেই রক্তচাপ কমানো সম্ভব। শুধুমাত্র ওষুধ নয় নিয়মিত যোগব্যায়াম ও খাওয়াদাওয়ার মাধ্যমেই হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো মারাত্মক ঝুঁকি থেকে নিজেকে রক্ষা কারা যায়।
  স্বাস্থ্য সচেতনতা  হলো কিছু অভ্যাসের আচরণ, যার দ্বারা আমরা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারি। 'স্বাস্থ্যই সম্পদ'- এটি একটি বহু পরিচিত বাক্য। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য সকল নাগরিকের  স্বাস্থ্য সচেতনতা  দরকার।  স্বাস্থ্য সচেতনতার  নানা দিক গুলো নিয়ে এভাবে ভাগ করা যায়।

সচেতনতা মূলক

  পেঁপের বীজের পুষ্টি গুনাগুন: ১. পেঁপের 100 গ্রাম বীজ থেকে প্রায় 558 ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়।  ২. পেঁপের বীজ ভিটামিন এবং খনিজ যেমন আয়রন, ক্যালসিয়াম,পটশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস,জিংক সমৃদ্ধ। ৩. পেঁপের বীজ ওলিক অ্যাসিড রয়েছে।এছাড়া, আছে পলিফেনল এবং ফ্ল্যাভোনয়েড যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। যেভাবে খাওয়া যেতে পারে:পেঁপের বীজ শুকনো করে খাওয়া যায়।এটি, সাথে কিছুটা গোলমরিচের স্বাদ মতো।তাই,বিভিন্ন রান্নায় এক চামচ  পেঁপের বীজের গুড়ো দিয়ে রান্না করে খাওয়া যেতে পারে।

সচেতনতা মূলক

যখন  জ্বর হয়, তখন  অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যাতে যেসকল খাবার গ্রহণ করা হচ্ছে সেগুলি পেট-বান্ধব খাবার এবং  সেই খাবারগুলি প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে সমৃদ্ধ।  জ্বর হলে যেসকল খাবার  খাবার খাওয়া প্রয়োজন- ♦️চিকেন স্যুপ  প্রথমত, এটির গ্রহণের মাধ্যমে শরীরে  তরল এর পরিমাণ বাড়ে। দেহের তাপমাত্রা হ্রাস করার পাশাপাশি বিষাক্ত পদার্থগুলি বের করতে সহায়তা করে। দ্বিতীয়ত, মুরগির স্যুপ শরীরকে প্রোটিন দিয়ে সরবরাহ করে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।  ♦️ফিশ যখন আপনার জ্বর হয়, তখন আপনার দেহের সমস্ত প্রোটিনের প্রয়োজন যা এটি থেকে দ্রুততর হারে পুনরুদ্ধার করতে পারে। বিশেষত তৈলাক্ত মাছ  ওমেগা 3 ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। ♦️শাকসবজি শাকসবজি আপনার শরীরকে অনেক বেশি প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। আপনার দুর্বল পেটে হজম করা সহজ করার জন্য আপনার শাকসবজি গুলি ভালভাবে রান্না করে খেতে হবে । শাকসবজি এর স্যুপ করে খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়। ♦️ফল  জ্বরে আক্রান্ত ব্যাক্তির ভাল পরিমাণে ফল খাওয়া প্রয়োজন।  ব...

সচেতনতামূলক

 #ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে করনীয় - #শুধু করোনা নয়, প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ। তবে আতঙ্কে বিচলিত হলে চলবেনা। জানতে হবে ডেঙ্গু সম্পর্কে, সচেতন হতে হবে এবং সচেতনতা ছড়াতে হবে। #এ সময় কেউ জ্বর, কাশি বা এমন উপসর্গে আক্রান্ত হন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দেরি করবেন না। আক্রান্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখুন। প্রচুর পানি, তরল পান করতে দিন। পুষ্টিকর খাবার দিন। যত দ্রুত সম্ভব জ্বরের রোগীর কোভিড ও ডেঙ্গু টেস্ট করে ফেলুন। - একা নয়, সবাইকে সচেতন হতে হবে। সচেতন হই, সুস্থ থাকি। পোস্ট টি শেয়ার করে সবাইকে সচেতন করি।